Monday, March 30, 2020

একদিনের ক্রিকেটে প্রথমবার ফিল্ডিং এর নিয়ম প্রবর্তন

বর্তমানে মহামারীর গ্রাসে গোটা বিশ্ব। Lockdown চলছে দেশ জুড়ে। প্রভাব পড়েছে ক্রীড়া জগতেও , অলিম্পিকের মতো প্রতিযোগিতা পিছিয়ে গেছে এক বছর। আমাদের আইপিএল এর ও এ বছর হবে কি না খবর নেই এখনও। তবে ক্রীড়া ইতিহাসের বিভিন্ন পাতায় এই সময় চোখ বোলানো যেতেই পারে।
এইরকম এক ঘটনা হল এক দিনের ক্রিকেটে Fielding restriction এর প্রবেশ। 1979 সালের আগে পর্যন্ত ফিল্ডিংয়ের নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম ছিলো না যদিও এক দিনের ক্রিকেট শুরু হয়েছে 1971 সাল থেকে। কিন্তু বিভিন্ন সময় ক্রিকেট দুনিয়া বিভিন্ন অদ্ভুত ফিল্ডিং সাজানোর সাক্ষী থেকেছে। 1979 সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম ইংল্যান্ডের একটি একদিনের ম্যাচের পর বদলে যায় ইতিহাস । 1979 সালের Benson & Hedges সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি খেলা হচ্ছিল সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ইংল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে। ইংল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করে 211 রান করে কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিংয়ের আগে বৃষ্টি চলে আসায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে করা হয় 47 ওভারে 199 রান। শেষ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার ছিল 10 রান , বল করছিলেন ইয়ান বথাম। প্রথম 5 বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ করে 7 রান শেষ বলে দরকার ছিল 3 রান। সিরিজের প্রথম ম্যাচটি ইংল্যান্ড হেরে যাওয়ায় এই ম্যাচ টি তাদের জিততেই হতো। এই সময় ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইক্ ব্রিয়ারলি সাজালেন সেই ফিল্ডিং উইকেট রক্ষক সহ সব ফিল্ডারকে বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে দিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ না পারলো দৌড়ে তিন রান নিতে , না পারলো চার ছয় মারতে। 2 রানে ম্যাচ জেতে ইংল্যান্ড ।


এরপরই ICC নড়েচড়ে বসে ফিল্ডিংয়ের নিয়ম তৈরীর জন্য। ঠিক হয় প্রথম 15 ওভার 30 গজ বৃত্তের বাইরে মাত্র 2 জন ফিল্ডার রাখা যাবে ও তারপর থেকে সর্বোচ্চ 5 জন 30 গজের বাইরে থাকবে। 1980 তে এই নিয়ম প্রথম প্রয়োগ হয় ।
এরপর 1992 র বিশ্বকাপ থেকে সব একদিনের ম্যাচে এই নিয়ম চালু হয় ।
2005 সালে দ্বিতীয় বার নিয়ম পরিবর্তন হয় আসে Power play । মোট তিনটি পাওয়ার প্লে হয় । যার মধ্যে প্রথমটি প্রথম 10 ওভারের এই সময় 2 জন ফিল্ডার 30 গজের বাইরে থাকবে এবং বাকি দুটি পাওয়ার প্লে হয় 5 ওভার করে । এই দুটি পাওয়ার প্লে ই ফিল্ডিং টিম 50 ওভারের মধ্যে যে কোন সময় নিতে পারবে এবং এই সময় 3 জন ফিল্ডার 30 গজের বাইরে থাকবে । বাকি সময় সর্বোচ্চ 5 জন ফিল্ডার 30 গজের বাইরে থাকবে।
এরপর 2008 এ আবার নিয়মের পরিবর্তন হয় এবং বলা হয় দুটি পাওয়ার প্লে র একটি ব্যাটিং টিম নিতে পারবে।
2011 এ আবার নিয়ম পরিবর্তন হয় এবার ঠিক হয় সব পাওয়ার প্লে 40 ওভারের আগে ব্যবহার করতে হবে ও শেষ দশ ওভার 30 গজের বাইরে 5 জন ফিল্ডার থাকবে।
2012 সালে পাওয়ার প্লে র সংখ্যা কমিয়ে 2 করা হয় এবং বাকি সময় 30 গজের বৃত্তের বাইরে ফিল্ডার সংখ্যা 5 জন থেকে কমিয়ে 4 জন করাহয় ।
সর্বশেষ পরিবর্তনটি হয় 2015 সালে যেটি বর্তমানেও চালু আছে অর্থাৎ প্রথম দশ ওভারে 30 গজ বৃত্তের বাইরে দুজন ফিল্ডার থাকবে , পরবর্তী 40 ওভার অবধি 4 জন ফিল্ডার ও শেষ দশ ওভার সর্বোচ্চ 5 জন ফিল্ডার 30 গজের বাইরে থাকবে।

Data: Google,Youtube
Picture:Google

Monday, March 23, 2020

বিশ্বের সবচেয়ে বড় মহামারী- Spanish Flu

এটা খুবই কাকতালীয় যে 1720 , 1820 এবং 1920 প্রতিটা শতাব্দীতে বিশের দশকেই কিন্তু কোনো না কোনো মহামারী দেখা দিয়েছে । বর্তমানে 2020 সালেও কিন্তু COVID-19 অর্থাৎ কোরোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়েই চলেছে।

এখানে আলোচনা করা যাক্ আজ থেকে ঠিক 100 বছর আগে 1920 সালে ঘটা 'স্প্যানিশ ফ্লু' নিয়ে যার সাথে আজকের COVID-19 সংক্রমণের কিছু মিল আছে । গবেষণায় দেখা গেছে যে এর প্রকোপ চলে 1918 সালের জানুয়ারি থেকে 1920 সালের ডিসেম্বর অবধি। প্রায় 500 মিলিয়ন অর্থাৎ আনুমানিক 50 কোটি মানুষ আক্রান্ত হন যা পৃথিবীর জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশ। মারা যান 1.7 কোটি থেকে 5 কোটি মানুষ । এটিকেই পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়াবহ মহামারী বলে ধরা হয় । এই রোগ দেখা যাচ্ছিল খুব বৃদ্ধ এবং একদম বাচ্চাদের মধ্যে তবে মৃত্যুর হার সব চেয়ে বেশি দেখা যায় মোটামুটি 20 থেকে 40 বছর বয়সী দের মধ্যে।


এই সময় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলার কারণে জার্মানি, ফ্রান্স, U.K , USA এর মতো দেশগুলো তাদের সংবাদপত্রের ওপর বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করে। কিন্তু স্পেন সরাসরি এই যুদ্ধের সাথে যুক্ত ছিল না তাই তাদের সাংবাদিকদের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না এবং সেই সময় স্পেনের রাজা 'আলফানসো' এই রোগে আক্রান্ত হন। এই খবর তিনি স্পেনের সংবাদমাধ্যমের দ্বারা প্রকাশ করেন । অনেকে মনে করেন যেহেতু স্পেন থেকে খবরটি প্রথম প্রকাশ হয় তাই একে 'স্প্যানিশ ফ্লু ' বলা হয় । কিন্তু এই রোগের উৎপত্তি নিয়ে বিভিন্ন মত আছে।

1999 সালে এক গবেষণা প্রকাশিত হয় যেটি করা হয়েছিল একদল ব্রিটিশ গবেষক দ্বারা যার নেতৃত্ব ছিলেন Virologist John Oxford । এখানে বলা হয় 1917 এর শেষদিকে এক জন মিলিটারি প্যাথলজিস্ট উচ্চ মারণক্ষমতা সম্পন্ন একটি রোগের খোঁজ পান যেটিকে পরে Flu বলা হয় এবং ফ্রান্সের Etaples নামক স্থান যেখানে U.K সৈন্যদের Hospital camp ছিলো সেটিকেই এই রোগের কেন্দ্র বলা হয় ।দেখা যায় জনবহুল এলাকা এই রোগটি ছড়ানোর জন্য আদর্শ । এটি একটি পশু(শূকর) খামার ও ছিল এবং আশেপাশের গ্রাম থেকে খাদ্য হিসেবে পোলট্রিও আনা হত। গবেষকরা বলেন এই রোগের ভাইরাসটি প্রথমে পাখিদের শরীরে আশ্রয় করত এবং সেখান থেকে সেই শূকরদের শরীরে যেত।

আবার 2003 সালে ঐতিহাসিক Alfred.W.Crosby বলেন যে পশ্চিম আমেরিকার কাঁসাস(Kansas) প্রদেশে এর সূচনা হয় । জনপ্রিয় লেখক John Barry সাল 2004 Kansas এর Haskell County কে এর উৎস বলে বর্ণনা করেন । ঐতিহাসিক Santiago Mata 2017 এ বলেন 1917 সালে এই রোগের প্রথম দফা আক্রমণ ঘটে, 14 টি মার্কিন সৈন্য ঘাঁটিতে এর প্রভাব পড়ে।
আক্রান্ত মানুষের কফ্ হাঁচি থেকে এটি ছড়িয়ে পড়ত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এই রোগকে আরো ত্বরান্বিত করেছিল বলে মনে করা হয় । বলা হয় সেই সময় সৈন্য রা যে সৈন্য শিবিরে থাকত সেখানকার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং অপুষ্টি তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয় ও তারা আক্রান্ত হয় । এরপর তারা যখন ছুটিতে বাড়ি ফিরত তখন এটি অন্যান্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে যায়। 1918 সালের জানুয়ারিতে আমেরিকার কাঁসাস এর Huskell County তে প্রথম এই রোগ দেখা যায়। 4th March 1918 সালে Albert Gitchell পেশায় রাঁধুনি এই রোগে প্রথম আক্রান্ত হন। কয়েকদিন এর মধ্যে আরো 522 জন এর শিকার হন। এরপর এটি Queens, New York শহরেও ছড়িয়ে যায় ।


2014 সালের এক গবেষণা বলছে এটির সূত্রপাত চীন দেশেই। 1917 1918 সালে চীনা শ্রমিকদের কানাডায় যাওয়াও এর কারণ। এই শ্রমিকরা ছিল প্রত্যন্ত গ্রাম্য অঞ্চলের কৃষক। Mark Humphries তার "The last Plague" বইতে এমন ই বলেছেন। তারা ফ্রান্স এ যাওয়ার আগে পুরো কানাডাতে সিল করা ট্রেন containers এর মধ্যে 6 দিন কাটায়। সেখানে তাদের পরীখা খনন , রেলের লাইন পাতা , ক্ষতিগ্রস্ত tank সারাইয়ের কাজে লাগানো হয় 90,000 কর্মী এই কাজে নিযুক্ত ছিলো।
এখানে বলা হচ্ছে 25000 চীনা শ্রমিকদের মধ্যে 3000 শ্রমিকের কানাডার জীবন medical quarantine এই শেষ হয়। প্রজাতিগত ভাবে চীনাদের অসুস্থতাকে স্বাভাবিক চীনা আলস্য বলে কানাডিয়ান ডাক্তাররা গুরুত্ব দেননি কিন্তু তারা যখন ফ্রান্স যায় তখন তারা অল্পদিনের মধ্যেই মারা যায় । 1993 সালে গবেষক Claud Hannoun ও বলেন এই রোগের উৎস চীন।

এই রোগের লক্ষণ ছিল ক্লান্তি, খাওয়ার অনিচ্ছা, শুকনো কাশি, এরপর হত ঘাম, পাকস্থলীর সমস্যা এবং সবশেষে হতো শ্বাস কষ্ট । বিভিন্ন জমায়েত থেকে এটি দ্রুত ছড়াতো। 1918 র গ্রীষ্মে এটি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। জুলাই তে এটি স্পেন ও ব্রিটেনে মহামারীর আকার ধারণ করে।


প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ফেরত সৈন্য দের থেকে এটি ভারতেও ছড়িয়ে পরে । 1 থেকে 2 কোটি ভারতীয় মারা যায় । বোম্বেতে এই রোগ প্রথম সংক্রামিত হয় ।

এর প্রতিরোধ হিসেবে ডাক্তাররা পরামর্শ দিয়েছিলেন বিভিন্ন জনসংযোগ এড়িয়ে চলা, Musk ব্যবহার করা ও অপরের সাথে হাত না মেলানো ইত্যাদি ।

picture source: Google
Data source: wikipidia and Google.


Saturday, March 21, 2020

বিশ্ব মহামারী ও ভারতবর্ষ

বর্তমানে COVID-19 অর্থাৎ করোনা ভাইরাস নিয়ে গোটা বিশ্ব সন্ত্রস্ত। ইতালি , চীন স্পেনের মত দেশগুলিতে এটি মহামারীর আকার ধারণ করেছে, প্রবেশ করেছে ভারতেও তবে ভারত এখনও অনেকটা নিরাপদ। কিন্তু যেহেতু বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞান অনেক উন্নত তাই এই রোগের মোকাবিলা করা পুরোপুরি সম্ভব ।
কিন্তু ঊনবিংশ শতাব্দীতে ভারতে ব্রিটিশরাজ যখন  পুরোপুরি কায়েম সেই সময় থেকে ভারত বহুবার অনেক রকম মহামারীর সম্মুখীন হয়েছে ।সব চেয়ে বেশী হয়েছে কলেরা, প্লেগের মতো রোগ গুলির।

কলেরা
ব্রিটিশ রাজত্বে প্রথমবার 1817 খ্রিস্টাব্দে কলেরা মহামারী রূপে দেখা দেয় এদেশে। 23শে আগস্ট 1817 জশোরের এক Civil Surgeon এর কাছে প্রথম কলেরা রোগীর রিপোর্ট আসে। কিন্তু এই সময় আনুমানিক কত লোক আক্রান্ত ও মারা গেছিলেন তার কোনো হিসাব মেলে না কারণ তথ্য সংগ্রহ শুরু হয় 1860 খ্রিস্টাব্দের পরবর্তী সময় থেকে। এই সময় প্রবল বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতি ভয়ংকর করে তুলেছিল।
দ্বিতীয়বার কলেরার প্রকোপ দেখা দেয় 1829 সালে । 1826 সাল থেকেই এর প্রাদুর্ভাব ঘটতে শুরু করে এবং এই বাংলা থেকেই এর সূচনা হয় । এই জীবাণু নদী মাধ্যমে বাহিত হয়ে উত্তর ভারতে ছড়িয়ে পড়ে দিল্লি, পাঞ্জাব প্রভৃতি অঞ্চলে ভীষণ ভাবে এর প্রকোপ দেখা যায় তবে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এই রোগ চীন দেশেও ছড়িয়ে পড়ে।
তৃতীয় বার কলেরার প্রাদুর্ভাব হয় 1852-1860 এই সময় । এই সময় এটি পৃথিবীর বাকি দেশ গুলোতে ছড়ায় ও বিশ্বব্যাপী এর প্রকোপ দেখা যায় । পারস্য, আরব , রাশিয়া তে এটি ছড়াতে থাকে। এইবার ভারতে এর প্রভাব দেখা যায় নি পরে অবশ্য বাংলার কিছু জায়গায় এটি ছড়ায়।
1863 আবার কলেরার প্রকোপ দেখা যায় । তবে শোনা যায় 1865 সালে ভারত থেকে মক্কায় যাওয়া হজ যাত্রীদের থেকে এই রোগ ছড়ায়, অনেকে এটি মানতে নারাজ । আবার 1867 সালের হরিদ্বার এ হওয়া কুম্ভ মেলা থেকেও সেই সময় উত্তর ভারতে কলেরা হয় বলে মনে করা হয় । 1877 সালে মাদ্রাজে কলেরার কারণেই বছরে 10% মানুষ মারা যায় ।
1881-1889 এই সময় পঞ্চমবার কলেরা দেখা দেয় তবে এবারের প্রকোপ আগের থেকে অনেক কম হয় । কলকাতা ও ঈজিপ্ট এর প্রাদুর্ভাব পর্যবেক্ষণ করে Robert Koch প্রমাণ করেন যে মানুষের মুখের মাধ্যমে এটি সংক্রামিত হচ্ছে । এটি এই সময় পারস্য ,আরব , রাশিয়া ও ইউরোপে ও ছড়িয়ে পড়ে।
1899 সালে ষষ্ঠবার আবার কলেরার প্রাদুর্ভাব হয় ।
বোম্বে, কলকাতা , মাদ্রাজে এটি ছড়িয়ে পড়ে । এর আগে ভিব্রিও কলেরির O1 serotype এশিয়াতে কলেরার জন্য দায়ী হলেও এবার কিন্তু ভিব্রিও কলেরির non-O1 serotype এর কারণ হয়। এটি এবার USA সহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে।এই পর্যায়ে এই রোগের প্রভাব 25 বছর অবধি চলে।

প্লেগ
1896 সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ এই রোগ দেখা যায় ব্রিটিশ অধ্যুষিত বোম্বেতে । এই সময় বোম্বেতে সামাজিক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছিল।
ব্যবসাবাণিজ্য বৃদ্ধি র সাথে সেই অঞ্চলে জনসংখ্যা
ও বাড়তে থাকে । সেখানে প্লেগের থেকে বাঁচার বিভিন্ন প্রচার চালানো শুরু হয় । কিন্তু বস্তি অঞ্চল গুলোকেই প্লেগের উৎস বলে ধরা হয় । এর ফলে প্রচুর মানুষকে শহর ছাড়তে বাধ্য করা হয় ।
1994সালে সুরাট এও প্লেগ দেখা যায়  যা ভারতের বেশ কিছু শহরে ছড়িয়ে পড়ে।
এছাড়াও 2002 সালে সিমলা হিমাচল প্রদেশে প্লেগের প্রাদুর্ভাব হয় ।

SARS(Severe Acute Respiratory Syndrom)
এটিই প্রথম সংক্রামক মহামারী । 2003 চীনের গুয়ানডঙ প্রদেশ থেকে এটি ছড়িয়ে পড়ে। 2002 সালের নভেম্বর থেকে এর প্রাদুর্ভাব দেখা যায় । ইউরোপ সহ পৃথিবীর 26 টি দেশে এর প্রভাব পড়ে। 8000 জন আক্রান্ত ও 812 জনের মৃত্যু হয় 8 মাসের মধ্যে ।

কলেরা প্লেগ ছাড়াও দেশ বিভিন্ন সময় Dengue , N1H1 Flue , Nipah virus , চিকুনগুনিয়া , Swine Flue র মতো রোগের সম্মুখীন হয়েছে ।

এরপরেও মানুষের সচেতনতা ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি আমাদের আরো শক্তিশালী করেছে রোগের থেকে বাঁচার জন্য । আশা করা যায় ভবিষ্যতেও আমরা সব বিপদ কাটিয়ে উঠতে পারব।

Picture Source: Google
Data source: Google

একদিনের ক্রিকেটে প্রথমবার ফিল্ডিং এর নিয়ম প্রবর্তন

বর্তমানে মহামারীর গ্রাসে গোটা বিশ্ব। Lockdown চলছে দেশ জুড়ে। প্রভাব পড়েছে ক্রীড়া জগতেও , অলিম্পিকের মতো প্রতিযোগিতা পিছিয়ে গেছে এক বছর। আ...